১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যা চালানোর জন্য পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিচার চায় ভারত। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এক আলোচনায় দিল্লি এ অবস্থানের কথা জানান জাতিসংঘের ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টিএস ত্রিমূর্তি।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) শুরু হয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক। এবারের বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় হলো ‘সশস্ত্র সংঘাতকালে বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা : বড় শহরসমূহে যুদ্ধ ও নগরাঞ্চলে বসবাসরত বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা’।

ওই বৈঠকে টিএস ত্রিমূর্তি বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই শহুরে যুদ্ধ এবং শহরে সন্ত্রাসী হামলার প্রভাব প্রত্যক্ষ করছি। জাতিসংঘ মহাসচিবের দপ্তর থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শহরাঞ্চলে সংঘাতে ৫ কোটির বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিস্ফোরক অস্ত্রের ব্যবহার, বিশেষ করে যেগুলো ব্যাপক অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত করে, এগুলোর নির্বিচার ব্যবহার বেড়েছে। আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া এবং ইয়েমেনের মানুষ নগর সংঘাতের কারণে সৃষ্ট ধ্বংসলীলা প্রত্যক্ষ করেছে। এছাড়া আরও কিছু দেশ রয়েছে যারা অতীতে বেসামরিক জনসংখ্যার সুরক্ষার জন্য যথাযথ বিবেচনা ছাড়াই বা ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক লোকদের লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল, যেমন ১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে গণহত্যা করা হয়েছিল।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে সাধারণ মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী। পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধে নয় মাসে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে শহীদ হয়েছিল ৩০ লাখ মানুষ। এ ঘটনায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিচার চাইছে ভারত।

কলমকথা/ সাথী